• বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১১:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সারাদেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে: আবহাওয়া অফিস অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরলেন মুক্ত এমভি আবদুল্লাহর নাবিকরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: নোয়াখালীর ৩ উপজেলায় চলছে জমজমাট প্রচারণা নোবিপ্রবিতে ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ সফটওয়্যার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: নোয়াখালীর ৩ উপজেলার ৩১ প্রার্থীর মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ নোয়াখালীতে হাসতাপালের কর্মচারি মারা গেল ডাক্তারের গাফিলতিতে নোয়াখালীতে এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় কিশোরীর আত্মহত্যা জেলা আ.লীগের সভাপতিকে হারিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন এমপি পুত্র সাবাব চৌধুরী সোশ্যাল মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি সময় কাটায় যে দেশের মানুষ বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে বাংলাদেশের প্রথম ক্লাউড ডেটা সেন্টার: মেঘনা ক্লাউডের কার্যক্রম শুরু

অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরলেন মুক্ত এমভি আবদুল্লাহর নাবিকরা

আমার নোয়াখালী ডেস্ক
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪
অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরলেন মুক্ত এমভি আবদুল্লাহর নাবিকরা
অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরলেন মুক্ত এমভি আবদুল্লাহর নাবিকরা

অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরলেন এমভি আবদুল্লাহর নাবিকরা

সোমালিয়ান জলদস্যুদের জিম্মিদশা থেকে মুক্ত বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ দীর্ঘ এক মাস পর ঝড়-ঝঞ্ঝা সামলিয়ে অবশেষে দেশে
পৌঁছেছে। আজ এমভি আবদুল্লাহর ২৩ নাবিক স্বজনদের কাছে ফিরলেন। এর আগে সোমবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে জাহাজটি কুতুবদিয়ায় নোঙর করে।

মঙ্গলবার (১৪ মে) একটি লাইটার জাহাজে করে কেএসআরএম লাইটার জেটি সদরঘাটে আনা হয়। এখান থেকে তারা নিজ নিজ বাড়ি ফিরবেন।

নাবিকদের বরণ করে নিতে বন্দর জেটিতে বিকেলে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল। এ সময় নাবিকদের স্বজন ও কেএসআরএম গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ৩৩ দিনের মাথায় ১৩ এপ্রিল দিবাগত রাতে জাহাজটি মুক্ত হয়। এরপর জাহাজটি প্রথমে আমিরাতের আল-হামরিয়া বন্দরে পৌঁছায়। সেখানে পণ্য খালাস শেষে আরেকটি বন্দর থেকে চুনাপাথর বোঝাই করে চট্টগ্রামের পথে রওনা হয়েছিল জাহাজটি। এ হিসেবে আমিরাত থেকে ১৩ দিনের মাথায় জাহাজটি বাংলাদেশের জলসীমায় এসে পৌঁছাল।

কেএসআরএম গ্রুপ জানায়, এমভি আবদুল্লাহ জাহাজে ৫৬ হাজার টন পণ্য চুনাপাথর রয়েছে। এতে প্রায় ১৯০ মিটার লম্বা জাহাজটির ড্রাফট (জাহাজের পানির নিচের অংশের গভীরতার পরিমাপ) বেড়ে হয়েছে সাড়ে ১২ মিটার। জাহাজটির ড্রাফট বেশি থাকায় কুতুবদিয়ায় প্রথমে কিছু পরিমাণ পণ্য খালাস করে। এরপর পতেঙ্গার কাছাকাছি বঙ্গোপসাগরে বন্দর জলসীমায় আনা হয়। সেখানে বাকি পণ্য খালাস করা হবে। এ জন্য দেশে পৌঁছার পরও নাবিকদের ঘরে ফিরতে একটু সময় লাগেছে।

২০১০ সালের ডিসেম্বরে আরব সাগরে সোমালি জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল বাংলাদেশি জাহাজ জাহান মণি। ওই সময় জাহাজের ২৫ নাবিক এবং প্রধান প্রকৌশলীর স্ত্রীকে জিম্মি করা হয়। নানাভাবে চেষ্টার পর ১০০ দিনের চেষ্টায় জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্তি পান তারা।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

ফেইসবুকে আমার নোয়াখালী