• বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সারাদেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে: আবহাওয়া অফিস অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরলেন মুক্ত এমভি আবদুল্লাহর নাবিকরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: নোয়াখালীর ৩ উপজেলায় চলছে জমজমাট প্রচারণা নোবিপ্রবিতে ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ সফটওয়্যার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: নোয়াখালীর ৩ উপজেলার ৩১ প্রার্থীর মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ নোয়াখালীতে হাসতাপালের কর্মচারি মারা গেল ডাক্তারের গাফিলতিতে নোয়াখালীতে এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় কিশোরীর আত্মহত্যা জেলা আ.লীগের সভাপতিকে হারিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন এমপি পুত্র সাবাব চৌধুরী সোশ্যাল মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি সময় কাটায় যে দেশের মানুষ বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে বাংলাদেশের প্রথম ক্লাউড ডেটা সেন্টার: মেঘনা ক্লাউডের কার্যক্রম শুরু

নোয়াখালীতে হাসতাপালের কর্মচারি মারা গেল ডাক্তারের গাফিলতিতে

আমার নোয়াখালী ডেস্ক
আপডেটঃ : রবিবার, ১২ মে, ২০২৪

নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক না থাকায় একই হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারি মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডাক্তার শহীদুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে সৈকতকে হাতিয়ার ২০ শয্যা বিশিষ্ট ভাসানচর হাসপাতালে বদলি করা হয়েছে।

নিহত মো.হানিফ (৫৫) ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের চুতর্থ শ্রেণির কর্মচারি ছিল। তিনি নোয়াখালী পৌরসভার ৫নম্বর ওয়ার্ডের হরিনারায়ণপুর এলাকার মসজিদ বাড়ির মান্নাছ মিয়ার ছেলে।

রোববার (১২ মে) সকাল ৯টা ১০মিনিটের দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গত দুদিন ধরে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিল হাসপাতালের চুতর্থ শ্রেণির কর্মচারি হানিফ। রোববার সকালে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। ঢাকা নেওয়ার পথে তিনি বেশি অসুস্থতা বোধ করলে তাকে পুনরায় সকাল ৯টা ১০মিনিটের দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে নিয়ে আসা হয়। তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক শহীদুল ইসলাম সৈকত ইমার্জেন্সিতে না থাকায় বিনা চিকিৎসায় মারা যান হানিফ। পরে অন্য আরেকজন ডাক্তার এসে তাকে মৃত ঘোষণা করে। তখনই কর্তব্যরত চিকিৎসকের দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ এনে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারিরা আধা ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করে।

নিহতের মেয়ে ঝুমুর অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার ছিলনা তিনি উপযুক্ত চিকিৎসা পাননি।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম বলেন, সকালে হানিফকে ঢাকা নেওয়ার পথে তার অবস্থা খারাপ দেখে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তখন জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তার ছিলনা। এরপর তাকে দ্রুত ওয়ার্ডে নেওয়া হলে তিনি মারা যান।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, রোগীকে ঢাকা নেওয়ার পথে সে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে খারাপ হয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকা না নিয়ে পুনরায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। তখন তাকে ইমার্জেন্সিতে আনার পর কর্তব্যরত ডাক্তার ছিলনা।

তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো. হেলাল উদ্দিন আরও বলেন, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি মৃত্যুর ঘটনায় ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ঘটন করা হয়েছে। একই সাথে জরুরি ভাবে অভিযুক্ত ডাক্তারকে হাতিয়ার ২০ শয্যা বিশিষ্ট ভাসানচর হাসপাতালে বদলি করা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

ফেইসবুকে আমার নোয়াখালী