বেনাপোলে ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মিথ্যা অপপ্রচার ও অসম্মানজনক মন্তব্যের প্রতিবাদে বেনাপোল পৌর বিএপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ভারতের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সমিতির সভাপতি আতিকুজ্জামান সনি।
আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি মালিক সমিতির অফিস কক্ষে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি আতিকুজ্জামান সনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
আতিকুজ্জামান সনি বলেন, দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল থেকে সরকার প্রতিবছর ৬ থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে থাকে। এই রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে বন্দরে কয়েকটি সংগঠন সরকারকে সার্বিক সহোযোগিতা করে আসছে। বেনাপোল পৌর বিএপির সাধারণ সম্পাদক বিতর্কিত নেতা আবু তাহের ভারত বেনাপোল বন্দরকে অস্থিতিশীল করার জন্য নিয়মিত প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। দিনি দিন তার এই অপচেষ্টা বেড়েই চলেছে। স্থানীয় সম্মানজনক ব্যক্তিদের নিয়ে ভূয়া ফেসবুক আইডি খুলে এমনকি তার নিজের ফেসবুক আইডি থেকে মিথ্যা বানোয়াট, কুরুচিপূর্ণ ও অসম্মানজনক মন্তব্য প্রচার করছে। যা সমাজের মানুষকে হেয়-প্রতিপন্ন করার সামিল। কিছুদিন আগে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের একটি সভায় নেতৃবৃন্দের সম্মুখে ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতিকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করেছে আবু তাহের ভারত। তিনি ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সভাপতিকে চাঁদাবাজ হিসেবে আখ্যা করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অত্র সমিতির পক্ষ আমরা জানতে চাই। বেনাপোল স্থল বন্দর সৃষ্টি হওয়ার লগ্ণ থেকে বন্দরে অবস্থান রত ট্রাক ও বিভিন্ন সরঞ্জাম নিরাপত্তার স্বার্থে নিরাপত্তা কর্মী নামক একটি সংগঠন সৃষ্টি করা হয়। যার সার্বিক তদারকি করে ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি। উক্ত সংগঠনের দায়িত্বরত জনবলের বেতন হিসেবে স্থানীয় টার্মিনাল থেকে রশিদের মাধ্যমে ট্রাক প্রতি ৫০ টাকা আদায়পূর্বক তাদেরকে দেওয়া হয়। গত ৪/১০/২৬ তারিখ হতে সমিতির গঠনতন্ত্রের ধারা অনুযায়ী সদস্যদের কল্যাণে প্রতি ট্রাক থেকে কল্যাণ তহবিল তহবিলবাবদ রশিদের মাধ্যমে ৫০ টাকা গ্রহন করা হচ্ছে। উক্ত টাকা শুধুমাত্র বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি সদস্যরাই প্রদান করে থাকে। বিভিন্ন প্রয়োজনে সদস্যদের অনুদান, বার্ষিক বনভোজন ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যায় করা হয়। স্থানীয় ট্রাক টার্মিনাল ইজারার মাধ্যমে ট্রাক প্রতি ১০০ টাকা ও রাত্রিযাপনের ক্ষেত্রে ৫০ হারে গ্রহন করা হয়। সেই ইজারার সাথে সংশ্লিষ্ট আছে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন ও ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি। এর বাইরে ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি কারো নিকট থেকে কোন টাকা গ্রহন করা হয় না।কিন্তু জনবিছিন্ন নেতা আবু তাহের ভারত মানসিক ভারসাম্য হয়ে ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি ও সমিতির নেতৃবৃন্দের নামে ভূয়া ফেসবুক আইডি খুলে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করছে। আমরা এ ধরনের কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এর পরেও আবু তাহের ভারত এভাবে অপপ্রচার চালাতে থাকলে বিধি অনুযায়ী আমরা ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি স্থলবন্দরের সকল কার্যক্রম থেকে কর্মবিরতি পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করবো।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
















