সফরের সূচি অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকায় পৌঁছানোর পর ডাচেস সোফিকে অভ্যর্থনা জানাবেন বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি। এ ছাড়া উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা সম্পর্কে জানতে এবং শান্তি ও নিরাপত্তায় নারী অংশগ্রহণের অপার গুরুত্ব তুলে ধরতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিংয়ে (বিপসট) যাবেন ডাচেস সোফি।এই ব্যস্ত রাজকীয় সফরে তিনি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) পরিদর্শন করবেন। সেখানে তিনি নারী হকি খেলোয়াড়সহ উদীয়মান তরুণ অ্যাথলেটদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করবেন। এই আয়োজন নারী ও মেয়েদের জীবনে নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরিতে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে তুলে ধরবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ উদযাপনেও যোগ দেবেন ডাচেস। সেখানে শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং নারী ক্ষমতায়নের পক্ষে বিশেষ জোরালো বার্তা তুলে ধরবেন তিনি।রাজধানী ঢাকার ব্যস্ততম কর্মসূচি শেষ করে কক্সবাজারে যাবেন ডাচেস সোফি। সেখানে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন করবেন তিনি।
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থানকালে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত নারী, শিশু ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য চলমান সুরক্ষা ও সহায়তা সেবামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবেন তিনি।
পাশাপাশি শরণার্থীশিবিরগুলোতে নারী ও শিশুদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং তাদের সংকট উত্তরণে স্থিতিশীলতা বাড়াতে মাঠে কী ধরনের কার্যকারিতা চলছে, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন ডাচেস।


















