মামলার অন্য ছয়জন হলেন সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, আব্দুর রাজ্জাক, মুহাম্মদ ফারুক খান, শাজাহান খান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী ও সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা আজম। তাদের মধ্যে মির্জা আজম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বাকি ছয়জন কারাগারে আছেন। তাদের আগামী ২২ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের আবেদনে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দেন। আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়ার আরজি জানান প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম। একই সঙ্গে তিনি মির্জা আজমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আরজি ও কারাগারে থাকা ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার দেখাতে ট্রাইব্যুনালের সামনে হাজির করার নির্দেশনা চান। এরপর ট্রাইাব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে আদেশ দেন।এর আগে, গত ২ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়। সেদিন প্রসিকিউটর তামীম এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের কাছে মামলার অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেছিলেন, ‘তৎকালীন সরকারের নীতি হিসাবে এবং আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোট রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে জুলাই আন্দোলন দমন করেছিলেন। এই আসামিরা তৎকালীন সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে এবং নীতি নির্ধারক হিসেবে আন্দোলন দমনে অংশগ্রহণ করেছেন, সহায়তা করেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন, অংশগ্রহণ করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে চৌদ্দশ আন্দোলনকারী নিহত হয়েছেন এবং ২৫ হাজার আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন।’ আনুষ্ঠানিক অভিযোগে প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি (ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়)সহ পৃথক একটি করে অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন প্রসিকিউটর তামীম।আ. লীগের ৭ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিল ট্রাইব্যুনাল
-
অনলাইন ডেস্ক
- আপডেট সময় : ০৯:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমুসহ দলটির শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
জনপ্রিয়


















