রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কাজল রেখা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাবা মারা যাওয়ার পর অসহায় মা ও ছোট ভাইকে নিয়ে বসবাস করছেন তিনি। পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখলেও এলাকার কয়েকজনের কারণে তাঁর স্বাভাবিক জীবন ও লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে।
লিখিত বক্তব্যে কাজল রেখা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ইমন হোসেন নামে এক ব্যক্তি তাঁকে কলেজে যাওয়া-আসার পথে এবং বিভিন্ন স্থানে উত্ত্যক্ত করে আসছেন। গত ২৮ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির সামনে থেকে বাজারে যাওয়ার সময় তাঁর ওড়না ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়। এ সময় তাঁকে ধর্ষণ ও গ্রামছাড়া করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কাজল রেখার দাবি, জমি দখলের বিরোধকে কেন্দ্র করে আলী আহমদ ও আয়ুব হোসেনের ইন্ধনে এসব ঘটনা ঘটছে। এ বিষয়ে ২৮ অক্টোবর শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও এখনো কার্যকর প্রতিকার পাননি বলে জানান তিনি। এতে তিনি ও তাঁর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও যশোরের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিযোগ তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান কাজল রেখা।
এবিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, এব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।


















