Advertisement

এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া চার শিক্ষার্থীর স্বপ্ন

এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া চার শিক্ষার্থীর স্বপ্ন
এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে যশোরের চার শিক্ষার্থী। ভালো ফলাফলের পাশাপাশি প্রত্যেকের রয়েছে ভবিষ্যৎ নিয়ে আলাদা স্বপ্ন। কেউ ভালো মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়, কেউ অর্থনীতিবিদ হয়ে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে চায়। আবার কেউ উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে দেশের সেবা এবং কেউ কম্পিউটার প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতিফা মেহজাবিন যশোর সরকারি এমএম কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছে। যশোর শহরের উপশহর ডি ব্লকের বাসিন্দা আতিফা দুই বোনের মধ্যে ছোট। তার বাবা আলী আহমেদ মিয়া এনজিও সংস্থা আশার পাবনা জেলার ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার এবং মা আরিফা আক্তার নিউটাউন বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক। বড় বোন আনিকা মেহজাবিন মেডিকেল শিক্ষার্থী। আতিফা ভবিষ্যতে একজন ভালো মানুষ হতে চায়। ভালো ফলাফলের জন্য সে শিক্ষক, বাবা-মা, বড় বোন, গৃহশিক্ষক, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে এবং সবার দোয়া কামনা করেছে। অন্যদিকে, যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে আনিকা আনজুম। তার বাবা আব্দুল মালেক ও মা সুষ্মিতা আলেয়া। আনিকা ভবিষ্যতে অর্থনীতিবিদ হয়ে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখতে চায়। তার ভালো ফলাফলের পেছনে শিক্ষকমণ্ডলী ও মামী সহকারী অধ্যাপক মঞ্জুয়ারা সোনালির অবদানের কথা জানিয়েছে সে। ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পেয়েছিল আনিকা। যশোর সরকারি এমএম কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মো. নাফিস হাসান আব্দুল্লাহ। তার বাবা সরকারি চাকরিজীবী ও কবি নাঈম নাজমুল এবং মা পারুল খাতুন একজন শিক্ষক। নাফিস উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সেবা করতে চায়। ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষক ও মা-বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে সে। ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পেয়েছিল নাফিস। এদিকে, শার্শার আকিজ কলেজিয়েট স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তৌহিদা আহম্মেদ টিনা। তার বাবা আহম্মদ আলী ও মা রেবেকা টপি দুজনই শিক্ষকতা করেন। এসএসসি পরীক্ষাতেও জিপিএ-৫ অর্জন করেছিল টিনা। ভবিষ্যতে কম্পিউটার প্রকৌশলী হতে চায় সে। ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষক ও মা-বাবার অবদানের কথা উল্লেখ করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছে টিনা।